আপনার গৃহ ডাক্তার, সার্বক্ষণিক বিপদের বন্ধু তিরয়াক
যে কোন রোগে একবার জিহবার নীচে ৫ ফোটা তিব্যাক অথবা
১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খাবেন অথবা চায়ের সাথে মিশিয়ে খাবেন।
একটি ঔষধে এতো রোগ নিরাময় কিভাবে সম্ভব?
তিরয়াক তৈরীর উপাদানে রয়েছে অক্সিজেন সরবরাহকারী উদ্ভিদ ও খনিজ দ্রবা। যা জিহ্বার নিচে ৫ ফোটা তিরয়াক ঢেলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে শরীর কে সুস্থ রাখে।
তিরয়াক প্রাকৃতিক সর্বরোগ প্রতিরোধক। মানব শরীরে যত উপাদান আছে সবগুলো মাটির নির্যাস। আর যে সব উদ্ভিদ লতা-পাতা বৃক্ষে মানব দেহের নির্যাসগুলো বিদ্যমান থাকে সে সব উদ্ভিদ থেকে তৈরী ঔষধ সর্বরোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। কারণ ঔষধ হচ্ছে খাদ্য উপাদান ঘাটতির পরিপূরক। মানব দেহে যে সব উপাদান আছে তা হচ্ছে-
১। অক্সিজেন
২। কার্বনত। হাইড্রোজেন
৪। নাইট্রোজেন
৫। ক্যালসিয়াম
৬। ফসফরাস
৭। পটাসিয়াম
৮। গন্ধক
৯। সোডিয়াম
১০। ক্লোরিল
১১। ম্যাগনেসিয়াম
১২। লোহা
১৩। আয়োডিন
১৪। ম্যাঙ্গানিজ
১৫। তামা
১৬। দস্তা
১৭। ফ্লুয়োরিন
১৮। সিলিকন
১৯। কোবল্ট
২০। মনিবডেনাম
২১। ক্রেসিয়াম
২২। সিলিনিয়াস
২৩। সীসা
২৪। লিথিয়াস প্রভৃতি। বর্ণিত কোন কোন শারীরিক উপাদান খাদ্য থেকে গ্রহণ না হলে মানুষ অসুস্থ হয় এবং সে কারণেই ডাক্তাররা টেস্ট করে বর্ণিত উপাদানগুলোর থেকে ঘাটতি হলে বা বাড়তি হলে তা ঔষধের মাধ্যমে পূরণ করেন, তিরয়াক যে সব উদ্ভিদ প্রণালীত প্রস্তুত সে সব খাদ্য উপাদানগুলো সে সব উদ্ভিদে বিদ্যমান। এ কারণেই তিরয়াক সর্বরোগের মহা ঔষধ।
কোন রোগে কিভাবে ব্যবহার করবেন
করোনা উপসর্গ তথা- কাশি, সর্দি, জ্বর, গায়ে ব্যথা, গলা ব্যথাসহ যাবতীয় করোনা উপসর্গ থেকে রক্ষা পেতে দিনে একবার তিন ফোটা তিরয়াক হাতের তালুতে নিয়ে কিছুক্ষণ ঘষে নশ টানবেন। করোনা উপসর্গে আক্রান্ত হলে। ৫/১০ ফোটা তিরয়াক একগ্লাস গরম পানিতে দিনে একবার খাবেন। শিশুদের জন্য একফোটা। নখের চিকায়: নখের চিকা বা নখকুনিতে প্রতিদিন রাতে শোয়ার সময় নখের গোড়ায় বেশি করে তিরয়াক ঢেলে দিন। যাতে ক্ষতস্থানের ভিতরে তিরয়াক ঢুকতে পারে। একটি নখের জন্য ৪ থেকে ৮টি তিরয়াক প্রয়োজন হতে পারে।
মাথা ব্যথায়: কপালের দুই পাশে এবং ঘাড়ে মালিশ করবেন এবং নাকে নশ টানবেন।
কান-পাকায়: আগে কটন বার দিয়ে কান পরিস্কার করে কয়েক ফোটা তিরয়াক পাকা স্থানে ঢেলে দিন। একবারে না শুকালে ২দিন পরপর কয়েকবার দিন।
দাঁতের ব্যথায়: আঙ্গুল দিয়ে দাঁতের ব্যথার স্থানে তিরয়াক লাগিয়ে দশ মিনিট মুখ বন্ধ রাখুন। এবং তিনদিন পরপর প্রতিরাতে লবন দিয়ে দাঁত মাজুন।
কাটা ছেড়া বা পুরোনো ক্ষতে: তুলাতে ভিজিয়ে কাটা ছেড়া বা পুরোনো ক্ষতের স্থানে ভালো করে তিরয়াক লাগিয়ে দিন- একবার লাগানোর পর না শুকালে ১২ ঘন্টা
পরপর কয়েকবার লাগান। ভালো হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ
ডায়োবেটিকের জন্য: সপ্তাহে একদিন সকালে খালি পেটে ৫/৭ ফোটা তিরয়াক একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে
খেতে হবে। স্থায়ীভাবে সারাতে হলে প্রতিদিন সকাল বিকাল ৫ ফোটা জিহব্বাতে সরাসরি দিতে হবে। পাইলস এর জন্য: পায়খানার রাস্তায় গোটা বা ক্ষত হলে তিরয়াকে আঙ্গুল ভিজিয়ে গোটা বা ক্ষত স্থানে লাগিয়ে দিন। কিছুক্ষণ জ্বলবে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই।
হার্টের জন্য: হার্টের রোগীরা সকালে খালি পেটে ১০ ফোটা তিরয়াক একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন দুবার খেতে হবে। এবং নাভিতে ও বুকেতে বেশী করে ঔষধ মালিশ করতে হবে। গলা ব্যথা, সর্দি, টনসিল বা কাশি: ব্যথার জায়গায় মালিশ করবেন। এবং সর্দিতে নাকে নশ টানবেন। কাশির জন্য গরম পানির সাথে ৫/৬ ফোটা তিরয়াক মিশিয়ে খাওয়াতে হবে।
পেটের ব্যথা বা ডায়রিয়াতে: আমাশয়, পেট ফাঁপা, বদহজম, কলেরা বা ডায়রিয়াতে বয়স অনুপাতে দুই থেকে ছয় ফোটা ঔষধ ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে খেতে হবে। একবারে কাজ না হলে ৬ ঘণ্টা পরপর কয়েকবার খেতে হবে।