ডাইবিডেক্স সেবন করুন
ইনসুলিন মুক্ত জীবন গড়ুন
“ডাইবিডেক্স”
বাংলাদেশের একমাত্র ISO সনদপ্রাপ্ত আয়ুর্বেদ কোম্পানি
ইনডেক্স ল্যাবরেটরিজ লিঃ এর একটি আয়ুর্বেদিক ঔষুধ
এর মূল উপাদান সিজিজিয়াম ।
যার প্রধান কাজ শরীরে ইনসুলিন তৈরীতে ভূমিকা পালনকারী অঙ্গগুলোকে( বিটাসেল) সক্রিয় করা।
ফলাফল, শরীরে ইনসুলিন তৈরী হওয়া এবং শরীর ডায়াবেটিস মুক্ত করা।
.
বিভিন্ন জন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে বিভিন্ন প্রচলিত পদ্ধতি গ্রহন করে থাকেন। তথা ইনসুলিন, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ইত্যাদি।
.
ডায়াবেটিস হয়ে গেছে এমন কেউ যদি এই ডাইবিডেক্স ঔষুধটি নিয়মিত ধৈর্য্য ধরে সেবন করে যেতে পারেন,
আপনার শরীরে ইনসুলিন তৈরী হবে স্বাভাবিক হারে এবং এক সময় এই ঔষুধটিও সেবন করতে হবে খুব সামান্য পরিমানে। যেখানে বর্তমান প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে ঔষুধ সেবন বা গ্রহনের মাত্রা ক্রমাম্বয়ে বাড়তে থাকে।
ডাইবিডেক্স সেবনের ফলে একসময় ডায়াবেটিসের জন্য আপনার কোন ঔষুধ গ্রহনের প্রয়োজন হবে না।
.
প্রথম দিকে “ডাইবিডেক্স” ঔষুধ টির পাশাপাশি আপনার নিয়মিত ঔষুধগুলোও চলবে।
যখন আপনার সুগার লেবেল নিয়ন্ত্রন পর্যায়ে অর্থাৎ ৬ বা ৭ বা ৮ হবে এবং তা নিয়মিত হবে, তখন আপনার ঔষুধ, তথা ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল সেবনের হার কিছুটা কমাতে হবে, আর ইনসুলিন হলে তা কিছু পরিমান কমাতে হবে
যেমন ২০ থাকলে ১৮ করতে হবে।
৭ থেকে ১০ দিন যাওয়ার পর যদি ফলাফল একই থাকে, তাহলে আবারও কিছুটা কমাতে হবে ঔষুধের পরিমান।
এভাবে ক্রমাম্বয়ে কমাতে কমাতে এক সময় সেই প্রচলিত ঔষুধগুলোও বাদ হয়ে যাবে।
আর এভাবে ক্রমাম্বয়ে প্রচলিত ঔষুধ ত্যাগের পর, পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে হবে এই আমাদের চলতি “ডাইবিডেক্স” ঔষুধ টিও।
যেমন, দিনে ৩টার স্থলে ২টা, ২টার স্থলে ১টা, ১টার স্থলে ১দিন পর পর, পরে ২ দিন পর পর, ৩ দিন পর পর এভাবে নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে, অর্থাৎ, এই ডাইবিডেক্স ও একসময় ত্যাগের খাতায় চলে যাবে।
তবে আামরা পরামর্শ দিব, সপ্তাহে অন্ততঃ একটি করে সেবন করতে।
.
ডোজঃ
সুগার লেবেল ২০ বা তার বেশী হলে, ২ টা করে তিন বেলা, আহারের ৩০ মিনিট পূর্বে সেবন করতে হবে।
সুগার লেবেল ১৫ থেকে ২০ এর মধ্যে থাকলে, ১টা করে ৩ বেলা, আহারের ৩০ মিনিট পূর্বে সেবন করতে হবে।
সুগার লেবেল ১০ থেকে ১৫ থাকলে, ১টা করে ২ বেলা, আহারের ৩০ মিনিট পূর্বে সেবন করতে হবে।
সুগার লেভেল ১০ এর নিচে থাকলে ১ টা করে।